Showing posts with label Bengali Ebooks. Show all posts

Hector হেক্টর - জ্যঁ জিরাদু

Oronner Ontorale-Nirbed Ray অরণ্যের অন্তরালে - নির্বেদ রায়

অপারেশন কাঁকনপুর ।। আলী ইমাম

ইউক্লিডের জ্যামিতি ।। অনুবাদ শ্রীব্রহ্মমোহন মল্লিক

রোদে এবং ঝড়ে - পূর্ণেন্দু পত্রী


পূর্ণেন্দু পত্রীর এই গল্পগুলি কোন ধারাবাহিকতা মেনে সাজানো হয় নি। দশ বারো বছরে লেখা আর দশ বারো রকমের পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত গল্পের সংকলন এটি।

সূচীপত্রঃ-
~~~~~~~~
১) টিনের বন্দুক
২) ব্যামো
৩) অ্যানাসথেসিয়া
৪) রোদে এবং ঝড়ে
৫) কবিতা গুচ্ছ
৬) প্লিজ স্টপ
৭) লাগাতার স্ট্রাইকের সপ্তম দিন
৮) গান থেকে ফেরা
৯) জল কাদার ঘটনা

পিতৃপক্ষ -সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়

সমুদ্রজয়ী কলম্বাস-নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায়


যাঁরা কলম্বাস সম্বন্ধে জানতে আগ্রহী, তাঁদের জন্যে..


ভূত সমগ্র ( প্রথম খণ্ড )-হুমায়ূন আহমেদ



'ভূত সমগ্র' ভূত-প্রেতদের উৎসর্গ করলে কেমন হয় ?
---------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

DOWNLOAD

নীল দর্পণ - দীনবন্ধু মিত্র

নীল দর্পণ - দীনবন্ধু মিত্র


 নীল দর্পণ দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বাংলা নাটক। এই নাটকের পটভূমি নীল চাষের জন্য সাধারণ কৃষকদের উপর ইংরেজ শাসকদের অত্যাচার ও নিপীড়ন।
স্বাদেশিকতা, নীল বিদ্রোহ ও সমসাময়িক বাংলার সমাজব্যবস্থার সঙ্গে এই নাটকের যোগাযোগ অত্যন্ত গভীর। এই নাটকটি তিনি রচনা করেছিলেন নীলকর-বিষধর-দংশন-কাতর-প্রজানিকর-ক্ষেমঙ্করেণ-কেনচিৎ-পথিক ছদ্মনামে। যদিও এই নাটকই তাঁকে খ্যাতি ও সম্মানের চূড়ান্ত শীর্ষে উন্নীত করে।

সুপুরিবনের সারি -শঙ্খ ঘোষ



শঙ্খ ঘোষের লেখা কিশোর উপন্যাস ‘সকালবেলার আলো’র পরবর্তী খণ্ড ‘সুপুরিবনের সারি’।
এ কাহিনি নীলুর মামাবাড়ি যাওয়ার কাহিনি। একসময় নীলুর বাড়ি আর মামাবাড়ি একই দেশে ছিল কিন্তু আজ নাকি সেটা দুটো আলাদা দেশ। কিশোর নীলু দেশ ভাগের ব্যথা বোঝেনি, তবে কিছু একটা খারাপের ইঙ্গিত পেয়েছিল।


Dui Banglar Premer Upanyas

জঙ্গলের জার্নাল -বুদ্ধদেব গুহ

জঙ্গলের জার্নাল -বুদ্ধদেব গুহ










sher sayeri -sachin bhowmick

 শেরশায়েরী-শচীন ভৌমিক



Holde Golap -Swapnamoy chakraborty

হলদে গোলাপ



Volga Theke Ganga-Rahul Sankrityayan

ভোলগা থেকে গঙ্গা - রাহুল সাংকৃত্যায়ন 


ভোল্গা সে গঙ্গা রাহুল সাংকৃত্যায়ন এর ২০টি ছোট গল্পের সংকলন। এটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়। ভাষা হিন্দী। ভোল্গা সে গঙ্গা প্রকাশের পর ভারতের হিন্দীভাষী প্রায় সমস্ত অঞ্চল হতে তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিলেন লেখক। এ কারণে এটিকে বিতর্কিত রচনাও বলা যায়। কনৈলা কী কথা এ গ্রন্থের পরের পর্ব। ১৯৫৪ সালে প্রথম এর বাংলা অনুবাদ প্রকাশিত হয় 'মিত্রালয়' থেকে। গ্রন্থটির শিরোনাম অনুবাদ করা হয়েছিলো আক্ষরিক অর্থে, এবং তা ছিলো- 'ভোলগা থেকে গঙ্গা'। 'ভোল্গা সে গঙ্গা'র শেষ কাহিনীটি বাদ দিয়ে প্রকাশক গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য বইটি প্রকাশ করেন। পরে স্বতন্ত্র ভাবে সব কটি কাহিনী সহকারে একই নামে এর নতুন সংস্করণ বের হয়। 'ভোল্গা সে গঙ্গা' গ্রন্থখানি ২০টি ছোটো গল্পের সমাহার। এই ছোটো ছোটো গল্প বা কাহিনীগুলো নিছক কল্পনা প্রসূত নয়, সমাজবিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ের দিকে লক্ষ্য রেখে গল্পগুলো ধারাবাহিক ভাবে রচিত হয়েছে। ইতিহাস আর সমাজবিজ্ঞান এর মূলতত্ত্বকে সর্বত্রই মেনে চলা হয়েছে। প্রায় ৬০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে ভোলগা নদীর তীরে যে মানবগোষ্ঠী পরিবার স্থাপন করেছিলো, তাদেরই আবাস ও জীবন নিয়ে রচিত হয়েছে প্রথম গল্পটির দৃশ্যপট। ক্রমে সেই মানুষ মধ্য ভলগাতটে অগ্রসর হয়ে মধ্য এশিয়া অতিক্রম করেছিলো। উত্তর কুরু, তাজিকিস্তান পেরিয়ে একসময় সমগ্র গান্ধার এলাকা জুড়ে বসতি স্থাপন করেছিলো এই আর্যরা। ইতিহাসের এই ধারায় বিংশ শতাব্দীতে পৌছে সমাপ্ত হয়েছে গ্রন্থটির আখ্যান। এই ধারাবাহিকতা নিয়েই রচিত হয়েছে প্রতিটি গল্পের দৃশ্যপট।


Tajer Swapna- Narayan Sanyal

তাজের স্বপ্ন - নারায়ণ সান্যাল



Bharater Sadhak by Sankarnath Ray

ভারতের সাধক - শঙ্করনাথ রায়( ১ম খন্ড )



শ্রী ত্রৈলঙ্গস্বামী, যোগীরাজ শ্রী শ্যামাচরণ লাহিড়ী, যোগীবর গম্ভীরনাথজী, স্বামী ভাস্করানন্দ সরস্বতী, শ্রী রামদাস কাঠিয়াবাবা, বামা ক্ষ্যাপা, বালানন্দ ব্রহ্মচারী, স্বামী নিগমানন্দ প্রমুখ ভারতীয় সাধকদের নিয়ে লেখা একটি গ্রন্থ।

DOWNLOAD

Bharatiya Arya Sahityar itihash- Sukumar Sen

ভারতীয় আর্য  সাহিত্যের ইতিহাস -সুকুমার সেন

Sonkhar nam Char-Mayukh Chowdhury

সংখ্যার নাম চার-ময়ূখ চৌধুরী

এটি মধ্যযুগের পটভূমিকায় লেখা দুর্ধর্ষ একটি ঐতিহাসিক এডভেঞ্চার। 

নন্দনতত্ত্ব- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

নন্দনতত্ত্ব- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম 

শিল্পের যে লক্ষণ সর্বযুগে ও সর্বকালে শিল্পী ও শিল্পগ্রহীতা স্বীকার করে নিয়েছেন, তা হলো সুন্দর ও সত্যের অম্বেষা, অজানা ও অচেনাকে হৃদয়ে ধারণ করে জগৎকে তা উপহার দেয়া, মানুষের মহত্ত্বকে, জীবনের মহিমাকে প্রতিষ্ঠিত করা। শিল্পের বিষয়ের দিক আছে, আবার প্রকাশের দিক আছে। যুগের প্রয়োজনে কখনো শিল্প হয়েছে বিষয়নির্ভর, কখনো প্রকাশনির্ভর। কিন্তু শিল্প যেহেতু মানুষের তৈরি, এবং কোনো জীবিকার তাগিদে মানুষ শিল্প সৃষ্টি করে না (এ প্রসঙ্গে আমরা কারু ও চারুশিল্পের তফাৎ নির্ণয় করেছি) তাই শিল্পের উদ্দেশ্য যাই হোক, তা এর সার্বিক চরিত্রের একটি অংশ। এজন্য বিষয় প্রকাশের দ্বন্দ্বে শিল্পের প্রকৃত চরিত্রটি কখনো বদল হয় নি। মানুষ যখন তার ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য পৃথিবীর বস্তুকে বুঝতে শিখলো, বস্তুর আকৃতি, ভর ও উপরিভাগের সাথে তার ইন্দ্রিয়ের সম্পর্ক স্থাপন করলো, দেখা গেলো এর রূপটি ধারণ করার জন্য সে একপ্রকার তাগিদ অনুভব করছে। শিল্পী সে, যার রূপায়ণে বস্তুর ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য আবেদনটি খর্ব হয় না। বস্তুর রূপের ধ্যানে একটি সুখবোধের সন্ধান মেলে। যে এই সুখবোধটি গ্রহীতাকে দিতে পারলো না, সে শিল্পী হিসেবে সার্থক হলো না। এভাবে শিল্পের জন্ম। বাহ্য পৃথিবীকে চিত্তের পুলক ও ধ্যানের মধ্য দিয়ে অনুভব করে শিল্পবস্তুতে রূপদান করা শিল্পীর প্রাথমিক কাজ; আবার বাহ্যিক পৃথিবীর অতীত ভাবের রাজ্য থেকেও এই সৃষ্টি প্রক্রিয়ার যাত্রা শুরু হতে পারে। ভাবকে ভাষা দেয়া, রূপ দেয়া শিল্পীর ব্রত। বাস্তবতাকে মনের আয়নায় নানাভাবে প্রতিফলিত করে শিল্পবস্তুতে এর একটি সপ্রাণ সারাৎসার তৈরি করাও শিল্পীর উদ্দিষ্ট। যেভাবেই হোক অন্তরের সঙ্গে বাইরের, সময়ের সাথে সময়হীনের, অনন্তের সঙ্গে সান্তের একটি সম্পর্ক স্থাপিত হয় শিল্পে। এই সম্পর্কটি যে সব সময় সহজবোধ্য তা নয়, অনেক সময় অত্যন্ত রহস্যময় হয়ে ওঠে তা । কিন্তু গ্রহীতার কাছে এই রহস্যটি আত্মিক পুলক দেয়, চিন্তার খোরাক দেয়। রূপ ও সৌন্দর্য, ভাব ও বেদনা, সত্য ও নিত্যকে উপলব্ধি করার সাথে সাথে এই যে আধ্যাত্মিক পুলক-আনন্দ, এর সংমিশ্রণে জন্ম নেয় নান্দনিক তৃপ্তির, জন্ম হয় সার্থক শিল্পের।